নিয়মিত ফরজ নামাজ ত্যাগকারী কাফের - দলীলের মাধ্যমে এই বইয়ে এটা প্রমাণ
করেছেন যুগশ্রেষ্ঠ আলেম মুহাম্মাদ বিন সালেহ আ উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ)।
একটি উদাহরণ:
কোরআন-উল-কারিমে আল্লাহ ‘নামাজ’ আর ‘ঈমান’ - এই শব্দ দুইটিকে সমার্থকরূপে ব্যবহার করেছেন। আল্লাহ
সূরা বাকারায় বলেন:
আর আল্লাহ এরূপ নন যে তিনি তোমাদের ঈমানকে ব্যর্থ করবেন। (২:১৪৩ এর
অংশবিশেষ)
ব্যাখা: প্রিয়নবী মুহাম্মদ(সা) এর নবুয়তীর প্রথম দিকে সাহাবারা বায়তুল
মুকাদ্দাসের দিকে ফিরে নামাজ পড়তেন। যখন মুসলমানদের কিবলা পরিবর্তন করে কা’বা শরীফের
দিকে করা হলো তখন অনেক সাহাবা প্রশ্ন করতে লাগলেন যে তাদের আগের নামাজগুলির কি হবে? সেগুলির জন্য কি সওয়াব পাওয়া যাবে না? তখন আল্লাহ এই আয়াত নাজিল করেন যে, আল্লাহ তোমাদের ঈমান তথা নামাজকে ব্যর্থ
করবেন না। এই আয়াত দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় যে, নামাজ ব্যতীত ঈমানের কোন মূল্য নেই। একজন মুসলমানকে
ততক্ষণই মুসলমান বলা হবে যতক্ষন তার ঈমান থাকবে, আর একজন মুসলমানের ঈমান তখনই থাকবে যখন সে নিয়মিতভাবে
কমপক্ষে ফরজ নামাজ আদায় করবে।
http://www.mediafire.com/view/?8fqbr6tbyb97939